সন্তান সম্পর্কিত বিশেষ নিয়ম পাঠকদের স্বার্থে দেওয়া হল। এতে একটি নিয়ম সন্তানদের বাধা বিপত্তি দূর করা ও অন্যটি সন্তানদের আয়ু বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
সন্তানদের জীবনে বাধা মুক্তির নিয়ম
যদি কোনও দম্পত্তির সন্তানদের কোনও প্রকারের বাধা আসে তাহলে দুটি ভাগে নিয়মটি করতে হবে। প্রথম নিয়মটি ১১ টি বুধবার করতে হবে ও দ্বিতীয় নিয়মটি ১১ টি শনিবার করতে হবে। দুটির ক্ষেত্রে নিয়মগুলি সন্ধ্যেবেলা অন্ধকার হবার পরে করতে হবে। শুধুমাত্র প্রথম বুধবার ও প্রথম শনিবার কালো ও নীল কাপড় ৬-৬ মিটারের নিতে হবে ও তারপর প্রত্যেকবার ১.২৫ মিটার কাপড় নিতে হবে। এই নিয়মটি আপনি শুক্লপক্ষের প্রথম শনিবার ও বুধবার থেকে শুরু করুন। প্রথমে আপনি বুধবারে করুন,যখন ১১টি বুধবার হয়ে যাবে তারপর ১১টি শনিবার করুন। দুটির ক্ষেত্রেই একই জিনিস থাকবে। কালো কাপড়ের উপর নীল কাপড়টি রাখুন ও তাতে ৮০০ গ্রাম গোটা মুগ,৮০০ গ্রাম লাল মসুর,৫০০ গ্রাম ছোলার ডাল,৮০০ গ্রাম কাঁচা কয়লা ও ৬টি বড় পেরেক যার মাথায় চুন লাগাতে হবে। সমস্ত সামগ্রী একসাথে বেঁধে একটি পুঁটুলি তৈরী করুন ও সাত-সাত বার প্রথমে স্বামী-স্ত্রীর উপর দিয়ে ও তারপর স্ত্রী স্বামীর উপর দিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে কোনও তীব্র প্রবাহমান জলে ভাসিয়ে দিন।

সন্তানদের আয়ু বৃদ্ধির সরল নিয়ম
প্রায়শই দেখা যায় যে, কোনও ব্যক্তির কন্যা সন্তানের জন্ম অনেক বেশি হলেও পুত্র সন্তানের জন্ম হয় কিন্তু তৎক্ষণাৎ তার মৃত্যু হয়ে যায়। এরকম ব্যক্তিদের জন্য এই নিয়মটি অনেকটাই প্রভাবশালী হয়ে থাকে। এর সঙ্গে এই নিয়মটি তারাও করতে পারেন যারা এটা মনে করছেন যে, পুত্র সন্তান হবার ফলে তাদের শত্রূদের মধ্যে হিংসার ভাব জন্মাচ্ছে। এই নিয়মটি সন্তান জন্ম হবার সাথে সাথে করলে সন্তানের দীর্ঘ আয়ু হবে ও কোনও প্রকারের নজর ইত্যাদি লাগবে না। যে দিন সন্তানের জন্ম হবে,সেই দিন অশ্বথ গাছের নিচে একটি গর্ত খুঁড়ে নিজের হাতে ১.২৫০ কিলো গুড় ও সমপরিমাণ ওজনের চিনি নিয়ে পুঁতে দিয়ে সন্তানের দীর্ঘায়ুর কামনা করুন। যখন সন্তানের জন্ম হয়ে যাবে তখন মিষ্টান্ন বিতরণ করবেন না উপরন্ত যে দেখতে আসবে তার হাতে অল্প নুন দিন। এভাবে ক্রমাগত আট দিন পর্যন্ত নিয়মটি করতে থাকুন।
