নানা কারণে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠলে, সংসারে শান্তি রক্ষার্থে এমত বশীকরণের প্রয়োজন হয়ে পরে।মারদাঙ্গা, তর্কাতর্কি, চরম অশান্তি হতে থাকলে, এই যন্ত্রমটির ব্যবহারে গৃহে পুনরায় সুখ,শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।এখন আমি যন্ত্রমটি প্রস্তুত করার পদ্ধতি বর্ণনা করছি, শুক্লপক্ষের প্রথম শুক্রবার স্নান ধ্যান ও ইষ্টদেবতাকে পূজা অর্চনা করার পর শুদ্ধ ভাবে, উত্তরমুখে বসে ধূপকাঠি ও প্রদীপ জ্বেলে নিয়ে শুদ্ধাসনে বসে প্রত্যহ ১০৮ বার মন্ত্রটি পাঠ করবেন ও অষ্টগন্ধ কালি দ্বারা ও ডালিম ডালের কলম দ্বারা ভুজ্জ্যপত্রে যন্ত্রমটি লিখে নেবেন।
শুকিয়ে যাবার পর যন্ত্রম প্রস্তুত হয়ে গেলে, যন্ত্রমটি বিছানার তলায় রেখে দেবেন অর্থাৎ বিছানায় পাতা তোষকের তলায় রেখে দেবেন। ওই শুক্রবার থেকে পরপর ১৫ দিন ধরে একই নিয়মে ১৫ টি যন্ত্রম তৈরি করে নেবেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় বিছানাটিকে ধূপ দেখবেন, ও স্বামী বশ হোক, এই কামনাটি অবশ্যই করবেন। এই বিছানায় স্বামী শুলেই স্ত্রীর প্রতি আকর্ষিত হবেন।
১৪ দিনের যন্ত্রম ওই বিছানার তলাতেই থাকবে এবং ১৫ দিন পার করে ১৫ দিনের যন্ত্রমটিকে পঞ্চোপচারে পূজা করবেন।যন্ত্রটি সোনা বা রূপার তাবিজে ভরে স্ত্রী তাঁর বাম বাহুতে ধারণ করবেন। ধারণের দিন অবশ্যই নিরামিষ আহার করবেন। এই কর্মটি স্ত্রীরাই শুধু করবেন বা সৎ তান্ত্রিক ব্রাহ্মণ দ্বারা করবেন। তবে মন্ত্রটি স্ত্রীর নিজেকেই জপ্ করে যেতে হবে।
পূজা ও জপ্ মন্ত্রঃ ” ওঁ হ্রীং রক্তচামুন্ডে মম স্বামী অমুক ( স্বামীর নাম বলবেন ) মম চির বশং কুরু কুরু নমঃ স্বাহা “