মহাশিবরাত্রিতে বাড়িতে পারদের শিবলিঙ্গ স্থাপন যোগ্য ব্রাহ্মণের নির্দেশ ও তত্ত্বাবধানে করা উচিত। প্রাণপ্রতিষ্ঠার পর নিয়মিত পূজা করলে আয়, সুখ, সমৃদ্ধি ও ঐশ্বর্য বৃদ্ধি পায়।
এই দিনে দরিদ্রদের অন্নদান করা উচিত। এতে ঘরে কখনো অন্নের অভাব হয় না এবং পিতৃপুরুষদের আত্মা শান্তি লাভ করে।
আরেকটি উপায়—জলে কালো তিল মিশিয়ে “ওঁ নমঃ শিবায়” মন্ত্র জপ করতে করতে শিবের অভিষেক করলে মানসিক শান্তি লাভ হয়।
মহাশিবরাত্রির দিনে আটা দিয়ে ১১ টি শিবলিঙ্গ তৈরি করে ১১ বার জলাভিষেক করলে সন্তান লাভের যোগ সৃষ্টি হয়। নিঃসন্তান দম্পতিরা এতে ভগবান শিবের কৃপায় সন্তান লাভ করতে পারেন।
শিবলিঙ্গে ১০১ বার জলাভিষেক করে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র ও বীজমন্ত্রসহ জপ করলে গুরুতর রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর সাধনা।
মহাশিবরাত্রিতে নন্দী অর্থাৎ ষাঁড়কে সবুজ ঘাস খাওয়ানো উচিত। এতে জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আসে ও সমস্যার অবসান হয়।
ভগবান শিবকে তিল ও যব অর্পণ করা উচিত। তিল পাপ ক্ষয় করে এবং যব সুখ বৃদ্ধি করে। যদি বিবাহে বাধা থাকে, তবে কেশর মিশ্রিত দুধ (অথবা হলুদ মিশ্রিত দুধ) দিয়ে শিবলিঙ্গে অভিষেক করুন। ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্যই এই উপায় কার্যকর এবং দ্রুত বিবাহের যোগ সৃষ্টি করে।
এছাড়া, মাছকে আটা দিয়ে তৈরি গোলা খাওয়ান এবং শিবের ধ্যান করুন। নদী বা পুকুরে মাছকে খাবার দিলে ধনপ্রাপ্তির যোগ সহজেই সৃষ্টি হয়।

