কিছু গভীর,গোপন সমস্যার টোটকা / Some Secret Totka

এই প্রবন্ধে আমি এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি যে সমস্যাগুলি কিনা সচরাচর মানুষ খোলাখুলি আলোচনা করতে পারে না। সেইসব গোপন সমস্যার সমাধানের জন্য এই টোটকাগুলির ব্যবহার বহু প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। আমার ব্লগের মূল্যবান পাঠক হিসাবে আপনার দোরগোড়ায় এই শিক্ষামূলক ও তথ্যমূলক বিষয়গুলি পেশ করছি। আশা করি এইগুলি ভারতীয় তন্ত্র সম্পর্কে আপনার জ্ঞান ভান্ডারকে তুষ্ট করবে।   

বীর্য আটকাবার টোটকা

গরুর শিংয়ের চামড়া তুলে সেটিকে কয়লার আগুনে ফেলে দিন ও এর ধুঁয়ো কাপড়ে নিন৷ এবার এই কাপড়টি পরে মৈথুন করলে বীর্য স্খলন হবে না৷ যখন কাপড়টিকে শরীর থেকে আলাদা করবেন তখন বীর্যপাত হয়ে যাবে৷

বন্ধ্যাত্বের টোটকা

সদ্যজাত শিশুর নাভির চামড়া, চম্পা ফুলের পাপড়ির বীজ, শুয়োরের চর্বির ঝিল্লি ও নারকোলের ফুল এই সব জিনিসগুলোকে একত্র করে নিয়ে তিন বছরের পুরানো গুড় এতে মিশিয়ে দিন৷ বন্ধ্যা স্ত্রী যার মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হবার পরে যে জায়গায় সে স্নান করতে যাবে সেই স্থানেই একটি গোল্লা খেয়ে নিতে হবে ও একটি গোল্লা দুপুরে খাবার পরে ও আরেকটি গোল্লা রাত্রে শোবার সময় জলের সাথে খেয়ে ফেলতে হবে৷ পরের দিন কোনও ঔষধ খাবেন না৷ শুধুমাত্র একদিনই ঔষধ খান৷ নিশ্চিত মনে স্বামীর সাথে নিত্য চারদিন সম্ভোগ করলে স্ত্রী গর্ভধারণ করবে৷ এই প্রয়োগটি যে সমস্ত মহিলাদের উপরে করা হয়েছে, কেউ অসফল হয়নি৷ এটি পুত্র প্রাপ্তির সর্বোত্তম প্রামাণিক যোগ৷

দুগ্দ গ্রন্থি প্রদাহ, স্তন প্রদাহের টোটকা

                কামরূপ দেশ কো উড়া রহে উদ্দা জদ্দা কো খায়ে৷

                ফলানি কা মে থনেলা ঝাড়ু ছাতি ভস্ম হো যায়ে৷৷

নিয়ম: সর্বপ্রথম এই মন্ত্রটি গ্রহণ কালে ১০০৮ বার পড়ে সিদ্ধ করুন৷ তারপর রোগিণী যে স্তনে রোগটি হয়েছে, তার বিপরীত স্তনে নিজেই বুকের উপরে মন্ত্রটি পড়ে ফুঁ দিন ও মালিশ করতে থাকুন৷ এই ভাবে ২১ বার মন্ত্র পড়ে তিন দিন পর্যন্ত ঝাড়তে থাকলে তার স্তন প্রদাহ ভালো হয়ে যাবে৷

মাথা ব্যথা ভালো করবার মন্ত্র ও টোটকা

                ওং নমো আদেশ গুরু কো, মেরি আধাসিসি বান্ধি পরে৷

                প্যার খায়ে অউর শিরক বরে, ছুটে তো গুরু গোরখনাথ জাগে৷৷

উপরোক্ত মন্ত্রটি গ্রহণকালে ১০০৮ বার জপ করে সিদ্ধ করুন ও সাত বার রোগীকে সামনে বসিয়ে তার নিজের ডান হাতের আঙুল দিয়ে মাথাটি ধরতে বলুন ও আপনি নিজের ধুতি, রুমাল অথবা তোয়ালে নিয়ে মন্ত্রটি পড়তে-পড়তে কাপড়টি পাক দিতে থাকুন৷ যেমন যেমন কাপড়টি পাকানো হবে রোগীর মাথাব্যথা সারতে শুরু করবে৷ এই মন্ত্রটি অনেক রোগীর উপরে প্রয়োগ করা হয়েছে৷ এতে মাথাব্যথা খুব সহজেই ভালো হয়ে যায়৷     

দাঁত ব্যথা ঝাড়ার মন্ত্র ও টোটকা

                ওঁ কালী মহাকালী

                কালা পীলা কীড়া গলাবে

                দর্দ দাতো কা ফলানে কা জায়ে৷

উপরোক্ত মন্ত্রটি একটি শুভক্ষণে সিদ্ধ করার পর রোগীকে সামনে বসিয়ে নিমের দাঁতন দিয়ে ৪৯ বার মন্ত্র পড়ে ঝেড়ে দিলে দাঁত ব্যথা ভালো হয়ে যাবে৷ নিজের হাত দিয়ে তার চিবুক ধরে মন্ত্রটি প্রয়োগ করতে হবে৷ এটি  ৪৯ বার পড়ে ফুঁ দিলে দাঁতের ব্যাথা আস্তে আস্তে কম হয়ে যাবে৷

গর্ভস্রাব অকালে গর্ভপাতের টোটকা

এই মন্ত্রটির প্রয়োগ মহিলাদের অপরিপক্বতা, ভয় অথবা রোগিণীর কারণে গর্ভপাত হয়ে গেলে (শিশু খারাপ হয়ে গেলে) নারকোলের একটি দড়ি নিয়ে সেই দড়িটি ফুঁ দিতে হবে৷ যে মাসে গর্ভপাত হবার আশঙ্কা থাকবে তার আগে নয় মাস নয় দিন গুনলে যত মাস প্রসবের শেষ দিন থাকবে, ততগুলি গিঁটদড়িতে বেঁধে ততবার ফুঁ দেবার পরে গর্ভবতী স্ত্রীর কোমরে বেঁধে দিন৷ এই বাঁধনটি যতদিন গর্ভধারণ থাকবে অর্থাৎ নয় মাস নয় দিন পর্যন্ত কোমরে বেঁধে রেখে দিতে হবে৷ এটি কম করে তিনমাস গর্ভধারণের পরে ধারণ করুন৷ এক অথবা দুই মাসে এটি ধারণ করা যাবে না৷ এই মন্ত্রটি পড়ে, আম গাছে দড়ি বাঁধলে আমের পুস্প খারাপ হয় না, বরঞ্চ পুষ্পগুলি বিভিন্ন উপায়ে সুরক্ষিত থাকলে গাছে ভালো ও উন্নতমানের ফল পাওয়া যায়৷

মন্ত্রটি নিম্নপ্রকার :

                শ্যাম শুভ রাজ করে, উঠো হনুমান কে চেলে৷

                রাজ করগ কা জগাই পর লঙ্কা বান্ধি,

                আরব গরব বাঁধ চলে তো

                নহি বন্ধে তো হনুমান তেরি দুহাই সে বন্ধ জায়ে৷৷ এই মন্ত্রটি গ্রহণ অথবা দীপাবলিতে হনুমানজিকে নিয়ম করে পূজা-পাঠ ও মালপোয়ার ভোগ দিয়ে সিদ্ধ করুন ও প্রতি দীপাবলীতে এই মন্ত্রটি পড়লে মন্ত্র চৈতন্য হয়ে সিদ্ধ হয়ে যায়৷ এতে সমান ভাবে সবার ভালো হয়ে থাকে৷ ভক্তদের ধর্ম করবার জন্য এই টোটকাটি অবশ্যই শিখতে হবে৷

You may also like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *